বুধবার, জুন ২৩, ২০২১



সদ্য সংবাদ

  •   বাংলাদেশের সব খবর সহ আন্তর্জাতিক, বিনোদন, খেলার খবর ও অন্যান্য সব ধরণের খবর সবার আগে অনলাইনে পেতে চোখ রাখুন "টিএনএন" এ। আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

বাংলাদেশ


মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদ (ভুয়া) নিবন্ধন সার্টিফিকেটে চাকুরীর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শোভা খাতুন ওই বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী শিক্ষকা।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ মার্চে পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকা (বাংলা) নিয়োগ পান শোভা খাতুন। নিয়োগ বিবরণীতে তিনি তার নিবন্ধন ব্যাচ সপ্তম দেখান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সেখানে তিনি দুইটি নিবন্ধন সনদ জমা দেন। একটি সপ্তম অপরটি নবম ব্যাচের। তার এনটিআরসি সনদ যাচাইয়ের জন্য সাম্প্রতি বিদ্যালয়ের নিকট উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেন। তার নিবন্ধনে সপ্তম ব্যাচে রোল ৩০১১০৪৬৮ ও নবম ব্যাচের রোল ৩০১১৩৬৯৭ ব্যহবার করা হয়েছে। যেখানে দুই সনদেই বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় তার রোল নম্বর নেই। পরে ওই শিক্ষিকার কাগজপত্র নিয়ে শিক্ষা অফিস বিপাকে পড়েন। উপজেলা শিক্ষা অফিস ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে বিষয়টি জানো হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিবন্ধিত ওই দুই ব্যাচের বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কৃতকার্যদের তালিকায় শোভা খাতুনের রোল নম্বর নেই। এনটিআরসি সার্চ করলে তার দুই নিবন্ধনই ভিন্ন নামে দেখায়। 


এ ব্যাপারে শিক্ষিকা শোভা খাতুনের মোবাইল নম্বরে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার সেল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ০১৭১৩৫৮২৭৯৫/০১৯৮৪২৭৬৩৩৪। 
পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মো. সোলাইমান জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিস তার দুইটি নিবন্ধনই যাচাই-বাচাইয়ে গড়মিল পাওয়া  যায় বলে জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ স্যারই ভালো জানেন তাকে তিনি কিভাবে নিয়োগ দিয়ে ছিলেন।
এ ব্যাপারে পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদের সাথে যোগাযোগের জন্য ফোন (০১৭৩৬২২০৪৩৫/০১৭৫৬৫১৯০২৫) দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 


এ ব্যাপারে ধনবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান বলেন, তার এনটিআরসি দুটি সনদই যাচাই-বাচাই করে আমরা তার ফলাফলে গড়মিল পাই। তবে তার বিষয়টি অধিকতর যাটাই-বাচাইয়ের জন্য বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন কেন্দ্রে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
 এ ব্যাপারে ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ শামছুল আরেফীন বলেন, বিষয়টি আমাকে অবহিত করা হয়নি। যদি যাচাই-বাচাই শেষে তার কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত হয় তাহলে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 



সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা